প্রথম আসরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ছিল নানা অনিয়ম আর অসংলগ্নতায় ভরা। ছিল খেলোয়াড়দের বকেয়া পাওনা নিয়ে জটিলতাও। দ্বিতীয় আসরেও খেলোয়াড়দে বকেয়া নিয়ে অনেক নাটক হয়েছে। আর এর সাথে যোগ হয়েছিল ফিক্সিং কলঙ্ক। যার সাজা পেয়ে এখনো সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নির্বাসনে মোহাম্মদ আশরাফুল।
এবার তৃতীয় আসরে তাই একটু বেশিই সতর্ক আয়োজকরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজেই তৈরি করেছে দুর্নীতি দমন বিভাগ (আকসু)।
কিন্তু এতো কিছুর পরও জুয়াড়িরা পিছু ছাড়ছে না বিপিএলের। বিপিএলের পেছনে ছায়ার মতোই লেগে আছে তারা। বিসিবি সূত্র থেকে জানা গেছে, এবারের আসরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত চারজন জুয়াড়িকে ধরেছে বিসিবি। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম থেকে এদের ধরা হয়েছিল। এ চারজনই ছিল বিদেশি।
পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দিয়েছে বিসিবি। এদের মধ্যে একজন ছিলেন লাইসেন্স করা জুয়াড়ি। বাজি ধরাই তার কাজ। বিপিএলের সাথে সাথে চট্টগ্রামেও পৌঁছে গেছে জুয়াড়িরা। বুধবার, দুই ডিসেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেও এক ব্যক্তিকে ধরেছে বিসিবি। সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ এক জায়গায় মোবাইলে কথা বলছিলেন ওই ব্যক্তি।
ওইখানে কথা বলা নিষিদ্ধ ছিল। তার চলাফেরা সন্দেহজনক দেখে তাকে ধরে স্টেডিয়াম থেকে বের করে দেয়া হয়। সন্দেহজনক ব্যক্তির পাশাপাশি ৩০ নভেম্বর চিটাগং ভাইকিংস-বরিশাল বুলসের ম্যাচটার দিকেও কড়া নজর আছে বিসিবির।
