BREAKING NEWS

Search Blog

Entertainment

Fashion

Food

কবি ও মুক্তিযোদ্ধা সাবদার সিদ্দিকি




চির ভ্রামণিক কবি সাবদার সিদ্দিকি (১৯৫০-১৯৯৪) তাঁর চুয়াল্লিশ বছরের সংক্ষিপ্ত উদ্বাস্তু উন্মুল জীবনকে রঙিন বেলুনের মতো উড়িয়ে দিয়ে গত হয়েছেন আজ একুশ বছর। ১৯৯৪ সালে ঘুরতে ঘুরতে দিল্লি গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কোলকাতা হয়ে ঢাকায় ফেরার পথে সাতক্ষীরা সীমান্তে মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানেই নাম না জানা এক গ্রামে সমাহিত হন। সাবদার সিদ্দিকি প্রকৃত একজন কবি ছিলেন। কিন্তু দেশের উল্লেখযোগ্য কাব্যসংকলনে তিনি উপেক্ষিত আজও পর্যন্ত। তাঁর প্রথম কবিতা ১৯৬৫ সালে সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দেশাত্মবোধক কবিতা সংকলন ‘অনন্য স্বদেশ’-এ ছাপা হয়। সে-হিসেবে তিনি ষাটের দশকের কবি। আবার বয়স বিবেচনায় তাঁকে বেঁধে দেয়া যায় সত্তরেও। কিন্তু এই সময়ে একজন প্রথম দশকের কবির যেখানে গ্রন্থের ছড়াছড়ি সেখানে ‘পা’, ‘গুটি বসন্তের সংবাদ’, ‘সোনার হরিণ’ নামের কয়েকটি ক্ষুদে কবিতা সংকলন ছাড়া তাঁর শক্ত বাঁধাই ও পুরো মলাটের কোনো কবিতাগ্রন্থই নেই। যদিও এসব ক্ষুদ্র কবিতা সংকলনের মধ্য দিয়েই তিনি হয়ে উঠেছিলেন একজন সাবদার সিদ্দিকি, হয়ে উঠেছিলেন সাম্প্রতিক বাংলা কবিতার নতুন এক কণ্ঠস্বর। তাঁর পরিচয় হয়ে যায় তীব্রভাবে প্রথাবিরোধী এক নাগরিক কবি হিসেবে। প্রথাবিরোধী তো বটেই, সেই সঙ্গে তাঁর স্পষ্টবাদিতা এবং জীবনযাপন নিয়ে উঠতি তরুণ কবিকুলে ছিল বিশেষ কৌতুহল কিন্তু সমসাময়িক ও অগ্রজরা ছিলেন ততটাই উদাসীন। হয়তো বিরক্তও। ফলে মুত্যুর পর তাঁকে নিয়ে কোনো রকম হইচই হয়নি। না এপারে, না ওপারে। অথচ এপার ওপার দু’পারেই ভেসেছে তাঁর জীবন নৌকো। জন্ম পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণার বশিরহাটে। পিতা আইনজীবী, তাই পরিবারের বসবাস ছিল মহানগর কোলকাতাতে। সাবদার সিদ্দিকির শৈশব-কৈশোরও কেটেছে সেখানেই। ১৯৬৪ সালের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় বাবা গোলাম মাওলা সিদ্দিকি পুরো পরিবার নিয়ে চলে আসেন সাতক্ষীরায় এবং ১৯৭১ সালে ফের চলে যান কোলকাতায়। সাবদার থেকে যান এখানেই এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে আট নম্বর সেক্টরে কিছুদিন যুদ্ধও করেন। তারপর ঐসময়েই তিনিও চলে যান ওপারে। তাঁর মধ্যে যেমন ছিল সেই দাঙ্গার ক্ষত, তেমনি তারুণ্যের টগবগে দেশপ্রেমে নতুন একটি দেশের স্বপ্নও। পরে দেখলেন বিপরীত বাস্তবতা। কোলকাতার দাঙ্গা ও তৎপরবর্তী আন্দোলন সংগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী তিনি। সেসব উঠেও এসেছে তাঁর ‘কোলকাতা, আমি এক তরুণ মহাপুরুষ’ শিরোনামের আটাত্তর লাইনের দীর্ঘ কবিতায়।
‘মধ্যরাতে দাঙ্গার মাতাল চীৎকার / নিঃসঙ্গ প্রদীপের মতো/ কেঁপে ওঠা আমার কিশোর কলকাতা/ তুমি কেমন ছিলে ইদানীং/ আজকাল কেমন আছ?/ কলকাতা তোমার মনে নেই? মনে নেই?/ পঞ্চাশের কলকাতা?/ দাঙ্গামথিত শহরের 

বিপিএলের পেছনে লেগেই আছে জুয়াড়িরা !

প্রথম আসরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ছিল নানা অনিয়ম আর অসংলগ্নতায় ভরা। ছিল খেলোয়াড়দের বকেয়া পাওনা নিয়ে জটিলতাও। দ্বিতীয় আসরেও খেলোয়াড়দে বকেয়া নিয়ে অনেক নাটক হয়েছে। আর এর সাথে যোগ হয়েছিল ফিক্সিং কলঙ্ক। যার সাজা পেয়ে এখনো সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নির্বাসনে মোহাম্মদ আশরাফুল।
এবার তৃতীয় আসরে তাই একটু বেশিই সতর্ক আয়োজকরা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজেই তৈরি করেছে দুর্নীতি দমন বিভাগ (আকসু)।
কিন্তু এতো কিছুর পরও জুয়াড়িরা পিছু ছাড়ছে না বিপিএলের। বিপিএলের পেছনে ছায়ার মতোই লেগে আছে তারা। বিসিবি সূত্র থেকে জানা গেছে, এবারের আসরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত চারজন জুয়াড়িকে ধরেছে বিসিবি। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম থেকে এদের ধরা হয়েছিল। এ চারজনই ছিল বিদেশি।
পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দিয়েছে বিসিবি। এদের মধ্যে একজন ছিলেন লাইসেন্স করা জুয়াড়ি। বাজি ধরাই তার কাজ। বিপিএলের সাথে সাথে চট্টগ্রামেও পৌঁছে গেছে জুয়াড়িরা। বুধবার, দুই ডিসেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেও এক ব্যক্তিকে ধরেছে বিসিবি। সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ এক জায়গায় মোবাইলে কথা বলছিলেন ওই ব্যক্তি।
ওইখানে কথা বলা নিষিদ্ধ ছিল। তার চলাফেরা সন্দেহজনক দেখে তাকে ধরে স্টেডিয়াম থেকে বের করে দেয়া হয়। সন্দেহজনক ব্যক্তির পাশাপাশি ৩০ নভেম্বর চিটাগং ভাইকিংস-বরিশাল বুলসের ম্যাচটার দিকেও কড়া নজর আছে বিসিবির।

তরুণদের মাঝে দিন দিন যৌন অক্ষমতা ও যৌন বিকৃতি বাড়ছে !! কিন্তু কেন ?

আজকাল ইন্টারনেটে, ফেইসবুকে নানা প্রকার অশ্লীল বা চিত্তাকর্ষক যৌন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে (পুরুষাঙ্গ বড় করা, মিলনে সময় বৃদ্ধি করার) লোভ দেখিয়ে মারাত্মক ক্ষতিকর ঔষধ বিক্রির মাধ্যমে কিছু প্রতারক তরুনদের যৌন বিকৃতি এবং দিন দিন যৌন ক্ষমতায় অক্ষম করে তুলছে।
মনে রাখবেন এই সকল যৌন উত্তেজক ঔষধ পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কোনো ভুমিকাই পালন করে না। কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি করে মাত্র। ……….যা আপনার মধ্যে যৌন বিকৃতি সৃষ্টি করবে এবং এক সময় আপনাকে যৌন ক্ষমতায় পুরুপুরি অক্ষম করে তুলবে।
সাবধান !!!!!! ইন্টারনেটে, ফেইসবুকে যৌন রোগের (পুরুষাঙ্গ বড় করা, মিলনে সময় বৃদ্ধি করার) নাম করে বিজ্ঞাপন দেয়া এই সকল প্রতারকদের পাল্লায় পরবেন তো ধ্বংস হয়ে যাবেন। খুব অল্প বয়সেই আপনি আপনার যৌবন হারাবেন। একটি কথা মনে রাখবেন, ন্যাচারাল পুরুষাঙ্গ কখনোই বড় করা যায় না। যারা এই সকল বিজ্ঞাপন দেয় তারা আপনার দুর্বল মানসিক অবস্থার সুযোগ নিয়ে আপনার সাথে প্রতারণা করছে মাত্র। অথচ পুরু ক্ষতিটা আপনারই হচ্ছে। তাই, যে সকল প্রতারক কমলমতি তরুনদের লোভ দেখিয়ে বিভ্রান্ত করছে এবং তাদের ক্ষতি করে যাচ্ছে তাদের থেকে সাবধান হোন ।
হারবাল, কবিরাজি, ইউনানী, ন্যাচারাল ইত্যাদির নাম দিয়ে যারাই আপনাকে যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়ার কথা বলবে, মনে রাখবেন আপনি প্রতারিত হচ্ছেন। আজকাল হারবাল, কবিরাজি, ইউনানী, ন্যাচারাল এই শব্দগুলি যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করার ক্ষেত্রে একটি ফেশন হয়ে দাড়িয়েছে। অথচ এই সকল উত্তেজক ঔষধগুলির অধিকাংশতেই মাদক মেশানো হয় যা কিছু সময়ের জন্য দ্রুত উত্তেজনার সৃষ্টি করে থাকে। কিন্তু এর সুদূর প্রসারী ফলাফল অনেক ভয়ানক। এক সময় আপনি দূরারোগ্য কিডনি এবং লিভার রোগে আক্রান্ত হবেন যা আপনার মৃত্যু ডেকে আনার জন্য যথেষ্ট।
মনে রাখবেন, যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। একবার চিন্তা করুন, ছোট থেকে আপনি যৌবনে প্রদার্পন করলেন কোন সময় এই সকল ঔষধ খাওয়ার দরকার পড়ে নাই, আর তখন আপনার যৌন শক্তি ঠিকই ছিল, অথচ এই সকল প্রতারকদের বিজ্ঞাপন দেখেই আপনার যৌন শক্তির ঔষধ খেতে মন চাইল। কেন ?? সাবধান !!তবে এটা ঠিক বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে মানুষের শরীরে নানা প্রকার রোগ বাসা বাধতে থাকে এবং তার সাথে সাথে মানুষের জীবনী শক্তিও কমতে থাকে যা মানুষকে যৌনতায় দুর্বল করে তুলে। কিন্তু এর জন্য যদি আপনি যৌন উত্তেজক ঔষধ খেতে থাকেন তাহলে আপনি আরো মরলেন। এটা আদৌ দরকার নেই। মনে রাখবেন যৌন শক্তিটাও আপনার শরীরেরই একটি অংশ। তাই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার শারীরিক ফিটনেস ঠিক আছে কিনা ? নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করেন কিনা ? সারাদিন কাজ করে শরীরের যে পরিমান ক্ষয় করেন সেই পরিমান শক্তি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত সুষম খাদ্য গ্রহণ করেন কিনা ?
আপনি যদি নিয়মিত হাটেন এবং শরীরে কোনো প্রকার রোগকে বাসা বাধতে না দেন, নিয়মিত দুধ, ডিম, মধু এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করেন, তাহলে মনে রাখবেন আপনি কখনই যৌন দুর্বলতায় ভুগবেন না। এটা প্রমানিত সত্য এবং বাস্তব কথা।
সব শেষে একটি কথা….. যৌনতা নিয়ে এত চিন্তা করার দরকার নেই। আপনি আপনার কাজে কর্মে মনোযোগী হন। আপনার যৌন সংক্রান্ত কোন প্রকার সমস্যা হলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এক্ষেত্রে হোমিও হলে সবচেয়ে ভালো। কিন্তু বিজ্ঞাপন দেখে লোভে পড়ে নিজে নিজে যৌন উত্তেজক ঔষধ কিনে খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না। কারণ এইগুলি খেতে থাকলে কিডনি, লিভার ইত্যাদি বিকল হতে থাকবে এবং এক সময় তা আপনার মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনবে।

জেনে নিন ,কখন মেয়েরা যৌন মিলনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে ?


আসুন জেনে নেই ,কখন মেয়েরা যৌন মিলনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে ।
১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দকরে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের”বীর্যপাত” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই।
৬. যোনিতে পেনিস ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা পেনিসের চেয়ে মোটা পেনিসে মজাবেশী। লম্বা পেনিসে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের যোনির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না।বাচ্চা ছেলের পেনিসও এই মজা দিতে পারে। অনেক ছেলে কিংবা মেয়েরা চায় বিপরীত লিংঙ্গের মানুষটি তার সাথে মিলিত হোক।

দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে কিছু সহজ টিপস জেনে নিন ।


বাংলা কৌতুক ও ১৮+ জোকস

কৌতুক : (০১) সাঁতার
এক যুবক নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছে।
প্রশ্নকর্তাঃ আপনি কি সাঁতার জানেন?
উত্তরদাতাঃ সাঁতার শেখার সুযোগ হয়ে উঠেনি, স্যার।
প্রশ্নকর্তাঃ তাহলে কি ভেবে আপনি নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছেন?
উত্তরদাতাঃ মাফ করবেন, স্যার; তাহলে কি আমি মনে করব যে বিমানবাহিনীর আবেদনকারীরা উড়তে শেখার পর আসে।


কৌতুক : (০২) গরু
লোক- এই যে, তুমি যে ভিক্ষা চাইছো, কিভাবে বুঝবো যে তুমি কানা?
ভিক্ষুক- এই যে দূরে একটা গরু দেখতাছেন, ওইটা আমি দেখতাছি না।


কৌতুক : (০৩) অপেক্ষা
ডাক্তার : আপনার কি হয়েছে?
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমাকে বাঁচান! আমি মনে হয় ১০মিনিটের মধ্যে মারা যাবো।
ডাক্তার : একটু অপেক্ষা করুন, আমি ২০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসছি

কৌতুক : (০৪) ডাক্তার রোগী
রোগী : ডাক্তার সাহেব, আমার খুব খারাপ লাগছে। মনে হয় আমি মরে যাবো।
ডাক্তার : কোন চিন্তা করবেন না। ওটা আমার উপর ছেড়ে দিন

কৌতুক : (০৫) দাঁত তোলা
এক দাঁতের রোগী ডাক্তারের সঙ্গে ভিজিট নিয়ে তর্ক করছে।
রোগী : একটা দাঁত তোলার জন্য তিনশ টাকা! এটা তো এক মিনিটের কাজ।
ডাক্তার : আপনি চাইলে আমি আরো সময় নিয়ে তুলে দিতে পারি

কয়েকটি Adjective-এর ভিন্ন ভিন্ন প্রয়োগ :

Few -এর অর্থ খুব কম বোঝায়। এটি না বোধক ধারণা দেয়। এটি Countable Noun -এর পূর্বে বসে সংখ্যা বোঝায়। যেমন_ I have few friends. He has a few pens. A Few: এর অর্থ সামান্য (অল্প কিছু) বোঝায়। এটি Countable Noun -এর পূর্বে বসে। যেমন_ I have a few books. Little, a little, the little : Little : এটি পরিমাণ নির্দেশক Negative অর্থ প্রকাশ করে। 'কিছুই নেই' অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন_ There is little water is the jug. He took little tea last night. A little : এটি পরিমাণ নির্দেশক তবে সামান্য পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন_ We have a little flour. Rahman had a little land. The little : এটি সামান্য পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তবে সামান্য পরিমাণের সবটুকুকে বোঝাতেইThe little sentence ব্যবহৃত হয়। যেমন_ He left his home with the little money he had. Another, any other : Another : এটি Singular Noun এর পূর্বে বসে। যেমন_ Another copy was needed. Another patient came here yesterday. Any other :এটি Singular ও Plural উভয় রকম Noun কে বুঝাতে ব্যবহূত হয় । যেমন_ Rina is more beautiful than any other girl in the class. He is more wise than any other man in the village. Many : এটি Plural countable noun এর পূর্বে বসে। এটি সংখ্যা নির্দেশক। Example: Many boys were present there. Many books were bought. Much : এটি Material singular noun-কে বোঝায় এবং পরিমাণ নির্দেশ করে। Example: Helen drank much water. Many a : এটি Singular countable noun--এর পূর্বে বসে। যেমন_ Many a person went there. A great many : এটি Plural countable noun এর পূর্বে বসে। Example: A great many students were present. A great many people joined the program.

** কৌতুক : (০১) সাঁতার



এক যুবক নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছে।
প্রশ্নকর্তাঃ আপনি কি সাঁতার জানেন?
উত্তরদাতাঃ সাঁতার শেখার সুযোগ হয়ে উঠেনি, স্যার।
প্রশ্নকর্তাঃ তাহলে কি ভেবে আপনি নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছেন?
উত্তরদাতাঃ মাফ করবেন, স্যার; তাহলে কি আমি মনে করব যে বিমানবাহিনীর আবেদনকারীরা উড়তে শেখার পর আসে।

Put your ad code here

 
Back To Top
Copyright © 2014 MY HELP LINE. Designed by OddThemes